Showing posts with label স্ব-রচিত কবিতা. Show all posts
Showing posts with label স্ব-রচিত কবিতা. Show all posts

Saturday, March 2, 2013

০৪. জীবন

লেখার সময়ঃ ০৬-০৮-১৯৯৭, বুধবার, বিকাল ০৫.০০ মিঃ
জীবন, তোমার বসবাস কোথায়? তুমি কে?

তুমি কি আমার দেহের মাঝে লুকিয়ে আছো অন্তরে?
না লুকিয়ে আছো সবার মাঝে পুণ্য কাজের সম্ভারে?

আমি নদী আর তুমি কি সেই ভেসে যাওয়া কচুরিপানা?
নাকি আমি পক্ষীকুল আর তুমি সেই তার ডানা?

তুমি কি সেই আমাদের মাঝে চলন্ত জ্ঞানের ধারা?
নইলে কি তুমি সবার মত রয়েছ দিশেহারা?

বল না তুমি, পরিচয় তোমার আছে যে।

জানি শুধু এটুকু যে, তোমার নাই কোন ক্ষয়।

তুমি সেই সবার মাঝে দুঃখ আর যন্ত্রণা,
তা না হলে খুশির জোয়ার, সবার সুখ ও সান্ত্বনা।

তুমি রয়েছ আমার মাঝে, নই তো কোন ভিন্ন,
জানতে পেরেছি এই একত্রতা হয় নাতো ছিন্ন।
করতে গেলে সর্ব জয়, তাই জীবনের পরিচয়।।

সমাপ্ত

Friday, March 1, 2013

১১৫.

লেখার সময়ঃ ০০-০০-২০০৩, ----, --- ০০.০০ মিঃ

Ball Clock


১১৬.

লেখার সময়ঃ ০০-০০-২০০৩, ----, --- ০০.০০ মিঃ

Aquarium Fishes


স্ব-রচিত কবিতা

Written by: Ashif Iqbal (Show By Names)

১. কচু গাছে ফাঁসি


২. জাতি “মা”


৩. জাতি, ধর্ম ও দেশ


৪. জীবন


৫. সাম্য


৬. জীবন মানে


৭. বৃষ্টির দিনে


১৩৭. গোপন সন্ধি


১৩৮. জীবন্ত লাশে


৮. তোমার সৌন্দর্য দেখে


৯. ব্যাথাতুর মন


১০. তুমি আর আমি


১১. ভালবাসার মূল্য


১১. ক) একটি সম্বল


১২. নারীর কাছে নর


১৩. T. P. for Love “RUBY”


১৪. আজকের ছাত্র


১৫. বিশ্ব ভালবাসা দিবস


১৬. অভিমান


১৭. বৃষ্টির গুনাগুন


১৮. দিবনা কখনও অভিশাপ


১৯. আমার ছন্দের রহস্য


২০. প্রকৃতির অভিমান


২১. ক্লান্ত মনের ভাবনা


২২. এ মনের কথা


২৩. তবে কেন?


২৪. দুঃখী মনের ইচ্ছা


২৫. মিথ্যে সান্তনা


২৬. জীবন চলার বাঁকে


২৭. আবেগী ভাবনা


২৮. যদি কখনও জানতে পারি


২৯. প্রশ্ন জাগে


৩০. ভয় হয়


৩১. ভালবাসা


৩২. মনে বড় ইচ্ছে হয়


৩৩. দুঃস্বপ্ন


৩৪. পরাজয়ের অনুভূতি


৩৫. অনুভবে তুমি


৩৬. ধারাবাহিক কবিতা


৩৭. হারানোর ভয়


৩৮. তোমার স্মরণে


৩৯. প্রানের ভাষা


৪০. অনুতপ্ত উদারতা


৪১. এ জীবনে ভাগ্য


৪২. তোমার কাছে চাওয়া


৪৩. ব্যর্থ আশা


৪৪. জীবনের ভূল


৪৫. একটি স্মরনীয় দিন


৪৬. প্রিন্সেস ডায়না


৪৭. আমার বন্ধুত্ব


৪৮. ভুল ভাঙ্গাবো না


৪৯. স্বপ্নের মত


৫০. অপেক্ষায়


৫১. শুধু তোমারই কারণে


৫২. তোমার জন্য


৫৩. আর কতদিন


৫৪. হারানো স্মৃতি


৫৫. ছলনার শখ


৫৬. ছোট একটা


৫৭. হায়রে মানুষ


৫৮. মরীচিকা তুমি


৫৯. তোমার আশায়


৬০. আমি হারিয়ে যাব


৬১. মনের মুক্তি


৬২. তুমিই পার সব


৬৩. হতে পারে


৬৪. ভিন্ন তুমি


৬৫. কর্তব্য


৬৬. মনে রেখ


৬৭. কে তুমি


৬৮. আজ ভাবতেই ভালো লাগে


৬৯. সুখের খোঁজে


৭০. আমি স্বপ্ন বিলাসী, তুমি সুখ বিলাসী


৭১. একটু আশা


৭২. মাগো তোমার সুখে


৭৩. চলে গেছ তারপর


৭৪. অনিশ্চিত ঠিকানা


৭৫. ব্যর্থতা


৭৬. ভাবনাহীন এইমন


৭৭. নিশ্চল মন


৭৮. জীবনের মৃত্যু


৭৯. উপমা


৮০. বন্যা নামে শতরূপা তুমি


৮১. ব্যর্থ পরিবর্তন


৮২. প্রাপ্তি


৮৩. শৃঙ্খলাহীন


৮৪. অস্থির জীবন


৮৫. জানিনা কেন এমন


৮৬. হারলো কোথায়?


৮৭. পুতুল খেলার সাথী


৮৮. নিরাশ মন বারবার


৮৯. কেন?


৯০. আর কত


৯১. জানা-অজানা


৯২. বৈষম্য


৯৩. ভালবাসার পাখি


৯৪. কোন চাওয়া নাই


৯৫. অকারণে


৯৬. বুঝে নিও


৯৭. আজও এমনে তুমি


৯৮. ভুল করিনি প্রিয়া


৯৯. কি করে ভুলিব


১০০. তুমি ওগো অনন্যা


১০১. অস্থিরতা


১০২. মনের অন্ধকার


১০৩. তোমার ও কি তাই?


১০৪. বেহুঁশ মন


১০৫. অজানা কথা


১০৬. গহীন পরিচয়


১০৭. চাই আর চাই


১০৮. মাঝে তুমি


১০৯. পরিণামের বহুরূপতা


১১০. মাটি মা


১১১. শুভক্ষণে তিক্ততা


১১২. ভীত অভিজ্ঞতা


১১৩. কার জন্য?


১১৪. প্রেমের জন্য


১১৫.


১১৬.


১১৭. তুমি আমার


১১৮. আমি এবং মন


১১৯. বাঁচা-মরা


১২০. প্রেম মানে


১২১. তোমার সঙ্গ


১২২. আহত শ্লোগান


১২৩. অবাধ্য মন


১২৪. কি ভাবনা নিয়ে


১২৫. তবু যদি যাও


১২৬. ও রূপা


১২৭. কষ্ট তবুও...


১২৮. বোবা মন


১২৯. যায় কি?


১৩০. অসহনীয় ভার


১৩১. জেগে ওঠার অপেক্ষায়


১৩২. ভালবাসি


১৩৩. সান্ত্বনা


১৩৪. ময়না-পাখি


১৩৫. এতটুকু সুখ


1. Love Effect


2. What do?


3. ROSY


Thursday, February 28, 2013

3. ROSY

Written time: 14th Fbruary, 2002. Thrusday, Night 04.00

You are beautiful
Oh! Dear Rosy,
You are sweet and sexy
Please, take it easy.

Your mind is fresh
But for love it is lazy,
I like your all thing
So, for you – I am crazy.

You are a bright star
Your body make with greasy,
Never mind sweet-heart
For this, my mind busy–

All time, to get you
And your sweet love,
I want you in the world
As alike a white dove.

The End


2. What do?

Written time: 14th Fbruary, 2002. Thrusday, Night 03.00

What do you hate?
And what do you love?
Take all things easy
Your mind is a white dove.

What do you want?
And what do you like?
You know, everything is possible
But do not take all alike.

What do you do?
And what do you think?
Do your duty carefully
Make your mind as zinc.

The End


1. Love Effect

Written time: 14th Fbruary, 2002. Thrusday, Night 02.00

Love open the door of heart
And love makes one busy,
Love comes in every life.
Everyone should take it easy.

Love is life, love is blind
So, loveless mind is lazy,
Everyone knows “Love is Heaven”
Unsuccessful love makes one crazy.

The End


১১. ক) একটি সম্বল

লেখার সময়ঃ ০৪-১১-১৯৯৮, বুধবার, বিকাল ০৩.৩০ মিঃ

ছিল মোর এক দোষ, তাই মন ছিল খোশ
আর যেন কেউ ছিলনা
মোদের দেখে হত অবাক, দিত সবাই একই জবাব
বাহ্, এর তুলনা হয়না।

বলি দোষ আমি তোরে, বোঝাবো যে কি করে
কতটা এমন তোরে চাই
বুকটা দেখানোর হলে, দেখাতাম তোরে খুলে
তোরে কাছে পেয়ে শান্তি কি যে পায়।

মোদের এই সম্পর্কের জাল, কালের ঘড়ি পাবেনা নাগাল
শুরু আছে যার শেষ নাই
ভুলেছ মোরে যদি জানতে পাই, থাকবেনা মোর কোন উপায়
পাব বড়জোর মরিবার মত ঠাই।

গেলে কেন পর ক্ষণে, নাম লিখে রেখে এমনে
দিচ্ছ আজ মিথ্যে সান্ত্বনা
এ দেহে রক্ত মাংসের ভিড়ে, দেখাতাম এ বুক ছিঁড়ে
বোঝ না কি আমার যন্ত্রণা।

সত্যি বোঝ যদি এমনের ব্যথারে, লিখবেনা কখনও আর এমন করে
এ জ্বালা যে আর সয় না
ফিরে এসো পাশে বন্ধু, পূর্বের বেশে
ভুল যেন আর রয়না।।

সমাপ্ত


৮২. প্রাপ্তি

লেখার সময়ঃ ০৩-১২-২০০২, মঙ্গলবার, সকাল ১১.৩০ মিঃ

আপুরে-আপু, ভাবিসনা তুই –

যারা তোকে কষ্ট দিল
কারণে আর অকারণে,
যন্ত্রণার জ্বালায় ভুগবে তারা
জীবনের প্রতিটি ক্ষণে।

যারা তোকে চাপিয়ে দিল
হাজারো অপবাদের বোঝা,
তাদের প্রাপ্য পাবে তারা
হবেই একদিন তাদের সাজা।

যারা তোর জীবনের পথটাকে
করে তুলেছিল অতিষ্ঠ,
পাপের পাহাড়ের নিচে পড়ে
হবেই তার একদিন পিষ্ট।

যারা তোর সাথে শুধু
করে গেল ভালবাসার ছলনা,
তারায় ভুগবে সারাটি জীবন
জাগবে তোকে ভালবাসার লালনা।

যারা তোকে বাচতে দিলনা
এই পৃথিবীর তরে,
দুঃখের আগুন জ্বলবে একদিন
সেই পাপীদের ঘরে।

যারা তোকে, আজো পাপী ভাবে
খুঁজতে চাই তোর পাপের অংশ,
তোর পুণ্যের সাগরের মাঝে
হবেই তারা একদিন ধ্বংস।।

সমাপ্ত


৭৮. জীবনের মৃত্যু

লেখার সময়ঃ ২৩-১০-২০০২, বুধবার, রাত্রি ০৯.০০ মিঃ

সাথী, আমি জীবন বলছি –

সেই জীবন- যে তোমার ভালবাসার
আকাশছোঁয়া পাহাড় চূড়ায়,
বরফ হয়ে জমেছিল
শুধু একটু সুখের আশায়।

যাকে নিজের স্বার্থ-সুখে
বারিধারা সাজিয়ে পদতলে ফেলে
করেছো চিরতরে ধ্বংস,
সেই আমি- তোমার ভালবাসার
পাহাড় হতে গড়িয়ে পড়া
ঝর্ণাধারার কিছু অংশ।

সেই জীবন- যে তোমার অতীত
দীর্ঘ জীবনের ডায়রিতে,
আবছা হয়ে চেনা যায় শুধু
অতীতটা স্মরণে এঁকে দিতে।

যাকে নিজের নিষ্ঠুরতায়
নদীর সাথে দিয়েছ ঠেলে
দাফন করে দিতে সাগরে,
সেই আমি- যে জীবনের
মৃত্যু হয়েছে তোমার অন্তরে
মনে রেখ সেটি যুগযুগ ধরে।।

সমাপ্ত


১২৪. কি ভাবনা নিয়ে

লেখার সময়ঃ ১৪-০১-২০০৪, বুধবার, সকাল ০৭.০০ মিঃ

ভেবে মানুষ নাকি যন্ত্র –
ভালবাসার নিবিড় সফলতায়
পড়ে যাচ্ছ অবিরাম মন্ত্র।

নিয়ে সার্থকতা নাকি ব্যর্থতা –
আশার দ্বারে জাগিয়ে দিয়ে
বুঝিয়েছ জীবনের অর্থটা।

ভেবে ভাল নাকি মন্দ –
ভালবাসা দিয়ে উঠালে সূর্য
ফিরিয়ে দিলে জীবনের ছন্দ।

নিয়ে সুখ নাকি জ্বালা –
কোন আশার প্রদীপ তলে
পড়লে আমার ভালবাসার মালা।

ভেবে নিশ্চল নাকি সচল –
ভালবাসার বাঁধনে অমর করালে
এ মনের ইচ্ছা ও মনোবল।।

সমাপ্ত


৭৪. অনিশ্চিত ঠিকানা

লেখার সময়ঃ ২৯-০৯-২০০২, রবিবার, সকাল ০৯.০০ মিঃ

আঠারো বসন্ত পেরিয়ে এলাম
এ-লোনা মনে বসন্ত,
হেমন্তের উৎসব গানে, শীতের অবসানে
হয়েছে এমন ক্লান্ত।

ভাবনাগুলো আজ হারিয়ে গেছে
বেড়েছে কষ্টের বোঝ,
আশার দ্বারে, সুখের ঘরে
মিলেনি মনের খোঁজ।

আবেগগুলো হারাতে চাই
কি ভাল কি মন্দ,
ভুলের খেয়ায়, মাতাল হাওয়ায়
জাগিয়ে তুলে ছন্দ।

মুক্ত পাখির মত জীবন
কোন কিছুতে নেই মানা,
জীবনের খেয়া তাই হাবুডুবু খায়
জানিনা কোথায় ঠিকানা।।

সমাপ্ত


৮৮. নিরাশ মন বারবার

লেখার সময়ঃ ০৩-০১-২০০৩, শুক্রবার, সকাল ০৮.০০ মিঃ

তোমাকে জল ভেবে ছুটে গেলাম
মরুভূমির ওপারে, গিয়ে দেখি
ওটা ছিল মরীচিকা –
এমন চাতক পাখির মত
অপলকে তোমাতে চেয়ে রইল
তৃষ্ণার্ত মন নিয়ে- তবু তুমি
ফিরে চাইলেনা, একটিবারও চাইলেনা
আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম
তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে।।

তোমাকে নীল পদ্ম ভেবে ছুটে গেলাম
কাঁটার আঘাত সহ্য করে, গিয়ে দেখি
ওটা ছিল কচুরিপানা
এমন আহত পায়রা হয়ে
করুণার হাত বাড়িয়ে রইল
ক্ষুধার্ত মন নিয়ে, তবু তুমি
ফিরে চাইলেনা, একটিবারও চাইলেনা
আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম
তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে।।

তোমাকে রত্ন ভেবে ছুটে গেলাম
শতবন পেরিয়ে, গিয়ে দেখি
ওটা ছিল অগ্নিকুণ্ড
এমন বন্দী ময়নার মত
তিলতিল করে শেষ হয়ে গেল
অগ্নিদগ্ধ হয়ে, তবু তুমি
ফিরে চাইলেনা, একটিবারও চাইলেনা
আমি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম
তুমি চলে গেলে, তুমি চলে গেলে।।

সমাপ্ত


৭৩. চলে গেছ তারপর

লেখার সময়ঃ ২৮-০৯-২০০২, শনিবার, রাত্রি ১১.০০ মিঃ

তুমি চলে গেছ তারপর -
জীবনের হাওয়া গেছে থেমে,
তুমি চোখের আড়াল হলে
জীবনের চাঁদ গেছে আঁধারে নেমে।

তোমার ভালবাসা দিয়ে গড়া
কৃষ্ণচূড়া রঙে রাঙানো হৃদয়
হারিয়েছে আজ ভাষা,
তাইতো অকালে ঝরে চলেছে
কুঞ্চিত গোলাপ কুড়ির মত
মন মণিকোঠার যত আশা।

ভালবাসার নরম স্পর্শ তোমার
পাইনা খুঁজে বৃষ্টির পানিতে,
তোমার রাগ অভিমানের তেজ
পাইনা খুঁজে আগুনের বানীতে।

জীবনের প্রতি মুহূর্তের তাগিদে
ফিরে পেতে চাই তোমাকে
খুঁজছি তাই তোমার ঠিকানা,
ফিরে কি আসবে কখনও
নাকি হারিয়েছ – এ জীবনে চিরতরে
আর কখনও দেখা হবে না।

সমাপ্ত


৮৫. জানিনা কেন এমন

লেখার সময়ঃ ৩১-১২-২০০২, মঙ্গলবার, রাত্রি ০১.০০ মিঃ

ভেবনা তুমি কখনও ডাকব তোমায়
চাইব তোমার কাছে জীবনের মান,
তীরহারা নদীতে সুখের খেয়ায় চলে যাও
ভেবনা কখনও আমি দেব তোমায় পিছুটান।

সামনে তোমার আলো-আঁধার
করে যাবে শুধু খেলা,
ফিরে পাবেনা জীবনের অতীত
পাবেনা সেই সুখের মেলা।

ক্রান্ত হবে তুমি পথের মাঝে
মনটা হয়ে যাবে বিষণ্ণ,
ধৈর্যহারা হয়ে পাগল হবে তুমি
শুধু একটু ভালবাসার জন্য।

পাবেনা আমায় কাছে, রবেনা কেউ আগে পিছে
জানিনা জীবনটা কেন এভাবে বদলায়,
তাই, কখনো আর ভেবনা তুমি
পূর্বের মত করে কাছে পাবে আমায়।।

সমাপ্ত


৭২. মাগো তোমার সুখে

লেখার সময়ঃ ১৩-০৮-২০০২, মঙ্গলবার, সকাল ০৯.০০ মিঃ

মাগো, তোমার কথা আজ
খুব বেশী মনে পড়ে –
তোমাকে সুদুরে রেখে এসে
তোমার স্নেহের আঁচল ছেড়ে,
জীবনের তাগিদে পড়ে আছি
কোলাহলের ব্যস্ত নগরে।

যানবাহন আর কারখানার মত
আর্তনাদ করে শুধু মনটা –
স্নেহের পথে ট্রাফিক সিগনালে
স্তব্ধ হয়ে উঠে প্রাণটা,
তবুও চলেছি হাইওয়ে ধরে
পেতে এ জীবনের মানটা।

মানুষ ছুটছে পিপীলিকা হয়ে
লক্ষ্যে যাচ্ছে কতরূপে সেজে –
কাটছে সময় হাসি উল্লাসে
আবার কখনও হতাশার মাঝে,
এর মাঝে আমি কর্মের মাঝে
ফিরি তোমার সুখ খুঁজে।

দোয়া করো মাগো আমার লক্ষ্য
যাইনা যেন কখনও সরে –
তুমি আশার কূলে দাঁড়িয়ে
থাক সদা সুখের ঘোরে,
দুঃখের মাঝে হারালে তোমায়
যাব আমি তক্ষনি মরে।।

সমাপ্ত


৭৬. ভাবনাহীন এইমন

লেখার সময়ঃ ১১-১০-২০০২, শুক্রবার, দুপুর ০২.৩০ মিঃ

তোমার দেওয়া আঘাতগুলো আজ
আমার মনের দেয়ালে হেলানো
একটা কঠিন যন্তনার পাহাড়।

তবুও আমি ভয় করিনা –

কারণ, তারা ঝর্নার মত
সকল বাধা অতিক্রম করে
নদী হয়ে প্রবাহিত হবে,
আর একদিন তা ভিড় জমাবে
তোমার মহৎ হৃদয় সাগরে।

তোমার দেওয়া কষ্টগুলো আজ
আমার মাথার উপরে উঠা
একটা অবিচ্ছিন্ন ভাবনার আকাশ।

তবুও আম ভয় করিনা –

কারণ, তারা মেঘের মত
পরস্পরের সঙ্গ পেয়ে
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়বে,
আর একদিন তা বন্যা সেজে
ভাসিয়ে নেবে তোমার সুখসিন্ধু।

তোমার দেখানো ঘৃণাগুলো আজ
আমার মনের ছোট্ট ভুবনে
জেগে থাকা একটা উজ্জ্বল চন্দ্র।

তবুও মনে সুখ নেই –

কারণ, তার আলোর সীমানা
সকল আবরণ ভেদ করে
তোমার ঘরে গিয়েও পৌছবে,
আর একদিন তা ঐ মনের অন্ধকার
সবার চোখে দৃষ্টিগোচর করাবে বলে।

তোমার দেখানো অভিনয়গুলো আজ
আমার মাথার চারদিক ঘিরে
বিপদে লড়বার ছাতা স্বরূপ।

তবুও মনে সুখ নেই –

কারণ, হঠাৎ এক দুর্যোগ এসে
অহংকারের ইটে গড়া বিশাল পাহাড়
ভেঙ্গে পড়বে তোমারই উপরে
আর একদিন তা তোমার জীবনকে
পদতলে পিসে ধূলিসাৎ করে দিয়ে যাবে।

তোমার ভুলের ভালবাসাটুকু আজ
আমার বুকে সাফল্যের ভিড়ে
জমে থাকা অমূল্য রতন।

তবুও জীবনে দুর্বলতা নেই –

কারণ, তা জীবনের প্রতিক্ষণে
ভুল পথে পা আঁকড়ে ধরে
দেখিয়ে দেয় সঠিক পথের সন্ধান,
আর একদিন তা তোমার বাঁধন ছিঁড়ে
পৌঁছে দেবে আমাকে জীবনের লক্ষ্যে।।

সমাপ্ত


৭০. আমি স্বপ্ন বিলাসী, তুমি সুখ বিলাসী

লেখার সময়ঃ ০৬-০৮-২০০২, মঙ্গলবার, রাত্রি ১১.৩০ মিঃ

(১)
আমি সুখ স্বপ্ন বিলাসী
সুখের ঠিকানা আমার কাছে
ঠিক যেন আকাশের চাঁদ,
যাকে শুধু উপলব্ধি করা যায় –
কিন্তু কাছে পাবার আশা
কখনও স্বপ্নে ভাবাও বৃথা।

জানি তুমি সুখ সম্রাজী,
তবুও ইচ্ছে হয় আমার
চাঁদটাকে ধরে এনে –
জড়িয়ে দিই তার আঁচলে
অনন্ত ধরে তোমাতে
যাতে করে দুঃখের স্পর্শ
না পাই তোমার ঠিকানা।

(২)
তোমার সুখ তোমার কাছে
ঠিক যেন অমূল্য রতন,
সেগুলো তুমি জড়িয়ে রেখেছ
স্বার্থপর সুখ বিলাসী সেজে।

আমার সুখটা তোমার কাছে
পথে গড়িয়ে থাকা ধুলোর মত।
ইচ্ছে করলেই তা মুষ্টিবদ্ধ করে
তুলে দিতে পার আমার হাতে –
তবু তুমি দাওনা তুলে
কারণ তুমি ধূলিকে ভয় পাও।

হয়তবা একদিন সুখগুলো আমার
নিষ্ঠুরতার নির্মম কষাঘাতে
হারিয়ে যাবে অজানা পথে –
তবুও এমনটা যাবে না কখনও
তোমার কাছে করুণা চাইতে,
দূর হতে শুধু আশীর্বাদ করে যাবে
সুখে থেকো তুমি “সুখ বিলিসী”।।

সমাপ্ত


৬৯. সুখের খোঁজে

লেখার সময়ঃ ০৬-০৮-২০০২, মঙ্গলবার, রাত্রি ১০.০০ মিঃ

আচ্ছা বলতো – সুখ কি?

সকাল বেলা সূর্যকে দেখে
ভাবি ঐ বুঝি সুখ,
পেলাম তার দেখা ভেবে
হাসিতে ভরে উঠে মুখ।

সময়ের কাঁটাটা যখন
আলোর মুগ্ধতায় কাটে,
হঠাৎ করেই তাপের তেজে
বুকটা যায় ফেটে।

তবে কি সুখের মাঝেই
রয়েছে কষ্টের স্রোতধারা,
নাকি আমার মনটা আজ
হয়ে পড়েছে উপলব্ধি হারা।

বেলা গড়িয়ে ভুল ভাঙ্গে
দেখি যখন পাখির ঝাঁক,
উপলব্ধি করি ঐ তো সুখ
দিচ্ছে যেন আমায় ডাক।

দুটি চোখে কত স্বপ্ন জাগে
পাখিদের দিকে দেখে,
তারাও হঠাৎ হারিয়ে যায়
মনে কষ্টের রেখা এঁকে।

কখনও বা মনের গভীরতায়
ঠাণ্ডা হাওয়া দেয় দোলা,
কখনও বা ঝড়ো হাওয়া
গড়ে তুলে দুঃখের মেলা।

গোধূলি লগ্নে, উপলব্ধির জালে
খেলা করে যেন শুধু সুখ,
তবুও প্রতিনিয়ত সূর্যাস্তের সাথে
দেখি আবার আঁধারের মুখ।

ঘুমের মাঝে দুঃস্বপ্ন দেখে
রাত্রি কাটে দুঃখের ঘোরে,
সুখের খোঁজে, দুঃখের ঠিকানা
জীবনে আমার প্রতিটি মোড়ে।।

সমাপ্ত


৬৮. আজ ভাবতেই ভালো লাগে

লেখার সময়ঃ ০৩-০৮-২০০২, শনিবার, সন্ধ্যা ০৫.৩০ মিঃ

হতাশার জালে জড়িয়ে পড়ে
কষ্টের কারাগারে বন্দী ভেবে
হারাতে বসেছিলাম আমার প্রতিভা
মনের ভাবনাগুলো হয়ে পড়েছিল সুপ্ত,
কিন্তু, আজ ভাবতেই ভালো লাগে
আবার কবিতা লিখব বলে
হাতে কলম তুলে নিয়েছি
ভাবনার প্রকাশে প্রতিভা হচ্ছে উত্তপ্ত।

কোন একটি মানুষ আজ হঠাৎ করে
আমার পূর্বের কবিতা পড়ে এতটাই মুগ্ধ হবে –
যে তার গভীর ভাবের মুগ্ধতায়
কবিতা লেখায় আবার উৎসাহ যোগাবে,
সত্যিই, আজ ভাবতেই ভালো লাগে
আমি কি ততটা প্রশংসা পাবার যোগ্য
যতটা তার অনুভূতির মুগ্ধতা
নাকি একদিন তার মুগ্ধতা হারাবে।

যার কবিতার প্রতি অটল শ্রদ্ধা
আকাঙ্ক্ষা, উপলব্ধির অপূর্ব প্রতিভা,
ভাবনার আকাশটা সীমাহীন
সে কি করে আমায় মিথ্যে সান্ত্বনা দেবে –
তাই, আজ ভাবতেই ভালো লাগে
আমার মনের ভাবনাগুলো অন্তত
কারো মনে সাড়া জাগাতে পারে
সার্থক আমার লেখা শুধু একথাটি ভেবে।।

সমাপ্ত