ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
প্রেমিক-প্রেমিকা গাড়িতে যাচ্ছে-
প্রেমিকাঃ আমরা কোথায় জাচ্ছি?
প্রেমিকঃ লং ড্রাইভে!
প্রেমিকাঃ ওয়াও! ইস, আগে বললে না কেন কোথায় যাচ্ছি, তাহলে আর একটু সেজেগুজে আসতাম!
প্রেমিকঃ আগে কেমনে কমু। এখন ই দেখলাম ব্রেক কাম করে না!
Showing posts with label Fun. Show all posts
Showing posts with label Fun. Show all posts
Sunday, April 10, 2011
কৌতুক নং - ০১৩
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুণী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক: তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা: উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক: বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা: আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।
বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুণী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক: তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা: উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক: বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা: আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।
কৌতুক নং - ০১২
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
সন্তর্পণে দরজা খুলে মেয়েটি ঘরে ঢোকাল ছেলেটিকে।
ছেলেঃ বাসায় কেউ নেই?
মেয়েঃ নেই। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে) আমাদের হাতে আছে পাঁচ মিনিট সময়। তারপর মা এসে পড়বে।
ছেলেঃ কিন্তু এই সময়ে আমরা কুলিয়ে উঠতে পারব তো? তুমি হয়তো বিশ্বাস করবে না, কিন্তু তোমাকে অকপটে একটা স্বীকারোক্তি করতে চাই।
মেয়েঃ কী স্বীকারোক্তি?
ছেলেঃ জানো, আমি আগে কখনো এর স্বাদ গ্রহন করিনি…মানে, আমার জীবনে এই প্রথম…!
মেয়েঃ হতেই পারে না!
ছেলেঃ সত্যি বলছি, আগে কক্ষনো…!
মেয়েঃ বিশ্বাসই হয় না, তোমার বয়স কত?
ছেলেঃ আঠারো।
মেয়েঃ আঠারো? অথচ কখনো…সত্যি বিরল ঘটনা। তুমি সত্যি সত্যিই কখনো…!
ছেলেঃ হ্যাঁ, হ্যাঁ, সত্যি।
মেয়েঃ অসুবিধে নেই। সব ভার ছেড়ে দাও আমার ওপর। দেখো, কী যে তৃপ্তি! ভুলতে পারবে না।
মেয়েটি ছেলেটিকে বেডরুমে ঢুকিয়ে বসাল বিছানার ওপরে। পর্দা টেনে দিয়ে চালু করে দিল মৃদু সংগীত।
মেয়েঃ একটু অপেক্ষা করো, আমি এখনই আসছি।
দরজার আড়ালে হারিয়ে গেল সে। পানি পড়ার ঝিরঝির শব্দ ছেলেটির কানে বেজে উঠল পরিচিত গানটির মতো ‘পাঁচ মিনিট, পাঁচ মিনিট…’
মেয়েঃ তুমি রেডি? আমি আসছি, আর একটু ধৈর্য ধরো…আর এক সেকেন্ড। ব্যস, চোখ বন্ধ করো।
ভেসে এল পায়ের মৃদু শব্দ, অবর্ণনীয় সুগন্ধ। চোখ-বন্ধ-করা অবস্থাতেই দুহাত সামনে বাড়িয়ে ধরল ছেলেটি। তার হাতের তালু অনুভব করল উষ্ণতা আর আর্দ্রতা। চোখ খুলে সে দেখল বড় এক বাটি। সেখান থেকেই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে নুডলসের ক্ষুধাবর্ধক সুবাস।
মেয়েঃ দেখলে তো, বলেছিলাম না, পাঁচ মিনিট! এটা হলো ইনস্ট্যান্ট নুডলস। খাও, জলদি খাও, নয়তো ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।
সন্তর্পণে দরজা খুলে মেয়েটি ঘরে ঢোকাল ছেলেটিকে।
ছেলেঃ বাসায় কেউ নেই?
মেয়েঃ নেই। (ঘড়ির দিকে তাকিয়ে) আমাদের হাতে আছে পাঁচ মিনিট সময়। তারপর মা এসে পড়বে।
ছেলেঃ কিন্তু এই সময়ে আমরা কুলিয়ে উঠতে পারব তো? তুমি হয়তো বিশ্বাস করবে না, কিন্তু তোমাকে অকপটে একটা স্বীকারোক্তি করতে চাই।
মেয়েঃ কী স্বীকারোক্তি?
ছেলেঃ জানো, আমি আগে কখনো এর স্বাদ গ্রহন করিনি…মানে, আমার জীবনে এই প্রথম…!
মেয়েঃ হতেই পারে না!
ছেলেঃ সত্যি বলছি, আগে কক্ষনো…!
মেয়েঃ বিশ্বাসই হয় না, তোমার বয়স কত?
ছেলেঃ আঠারো।
মেয়েঃ আঠারো? অথচ কখনো…সত্যি বিরল ঘটনা। তুমি সত্যি সত্যিই কখনো…!
ছেলেঃ হ্যাঁ, হ্যাঁ, সত্যি।
মেয়েঃ অসুবিধে নেই। সব ভার ছেড়ে দাও আমার ওপর। দেখো, কী যে তৃপ্তি! ভুলতে পারবে না।
মেয়েটি ছেলেটিকে বেডরুমে ঢুকিয়ে বসাল বিছানার ওপরে। পর্দা টেনে দিয়ে চালু করে দিল মৃদু সংগীত।
মেয়েঃ একটু অপেক্ষা করো, আমি এখনই আসছি।
দরজার আড়ালে হারিয়ে গেল সে। পানি পড়ার ঝিরঝির শব্দ ছেলেটির কানে বেজে উঠল পরিচিত গানটির মতো ‘পাঁচ মিনিট, পাঁচ মিনিট…’
মেয়েঃ তুমি রেডি? আমি আসছি, আর একটু ধৈর্য ধরো…আর এক সেকেন্ড। ব্যস, চোখ বন্ধ করো।
ভেসে এল পায়ের মৃদু শব্দ, অবর্ণনীয় সুগন্ধ। চোখ-বন্ধ-করা অবস্থাতেই দুহাত সামনে বাড়িয়ে ধরল ছেলেটি। তার হাতের তালু অনুভব করল উষ্ণতা আর আর্দ্রতা। চোখ খুলে সে দেখল বড় এক বাটি। সেখান থেকেই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে নুডলসের ক্ষুধাবর্ধক সুবাস।
মেয়েঃ দেখলে তো, বলেছিলাম না, পাঁচ মিনিট! এটা হলো ইনস্ট্যান্ট নুডলস। খাও, জলদি খাও, নয়তো ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।
কৌতুক নং - ০১১
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
প্রেমিকা: তুমি কি আমায় ভালোবাস?
প্রেমিক: বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো!
প্রেমিকা: ধরো তোমার শার্টের পকেটে মাত্র একশ বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি একশ চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?
জরুরি টাকাটায় প্রেমিকার চোখ পড়েছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, কেন পারবো না, একশবার পারবো| তবে পরীক্ষার তারিখটা একটু পেছানো যায় না?
প্রেমিকা: তুমি কি আমায় ভালোবাস?
প্রেমিক: বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো!
প্রেমিকা: ধরো তোমার শার্টের পকেটে মাত্র একশ বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি একশ চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?
জরুরি টাকাটায় প্রেমিকার চোখ পড়েছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, কেন পারবো না, একশবার পারবো| তবে পরীক্ষার তারিখটা একটু পেছানো যায় না?
কৌতুক নং - ০১০
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথন—
প্রেমিক: আমি মনে হয় তোমাকে বিয়েটা করতে পারব না।
প্রেমিকা: এত দিন পর এ কথা বলছ কেন? কেন, কী হয়েছে বলো তো শুনি?
প্রেমিক: না, তেমন কিছু না। আমার বাসা থেকে নিষেধ আছে।
প্রেমিকা: তা তোমার বাসায় কে কে আছেন?
প্রেমিক: বেশি না। আমার এক স্ত্রী আর তিন সন্তান।
প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথন—
প্রেমিক: আমি মনে হয় তোমাকে বিয়েটা করতে পারব না।
প্রেমিকা: এত দিন পর এ কথা বলছ কেন? কেন, কী হয়েছে বলো তো শুনি?
প্রেমিক: না, তেমন কিছু না। আমার বাসা থেকে নিষেধ আছে।
প্রেমিকা: তা তোমার বাসায় কে কে আছেন?
প্রেমিক: বেশি না। আমার এক স্ত্রী আর তিন সন্তান।
কৌতুক নং - ০০৯
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে।
ছেলে: আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না। খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।
মেয়েটাঃ আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে: কেন?
মেয়ে: পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই......!
প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে।
ছেলে: আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না। খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।
মেয়েটাঃ আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে: কেন?
মেয়ে: পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই......!
কৌতুক নং - ০০৮
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
দুই প্রেমিক-প্রেমিকা ঠিক করেছে আত্মহত্যা করবে।
উঁচু পাহাড় থেকে প্রথমে ছেলেটি ঝাঁপ দিল, কিন্তু মেয়েটি দিল না।
সে চোখ বন্ধ করে বলল, ভালোবাসা অন্ধ।
এদিকে ঝাঁপ দেওয়ার পর ছেলেটি প্যারাসুট খুলে বলল, প্রকৃত ভালোবাসা কখনো মরে না!
দুই প্রেমিক-প্রেমিকা ঠিক করেছে আত্মহত্যা করবে।
উঁচু পাহাড় থেকে প্রথমে ছেলেটি ঝাঁপ দিল, কিন্তু মেয়েটি দিল না।
সে চোখ বন্ধ করে বলল, ভালোবাসা অন্ধ।
এদিকে ঝাঁপ দেওয়ার পর ছেলেটি প্যারাসুট খুলে বলল, প্রকৃত ভালোবাসা কখনো মরে না!
কৌতুক নং - ০০৭
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
এক ভদ্রলোক জুয়েলারির দোকানে গিয়ে প্রেমিকাকে উপহার দেওয়ার জন্য সবচেয়ে দামি ব্রেসলেট চাইলে দোকানদার বললেন, ‘স্যার, ব্রেসলেটে কি আপনার প্রেমিকার নাম খোদাই করে নেবেন?’
ভদ্রলোক কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন, ‘না, তার দরকার নেই। তার চেয়ে বরং লিখে দেন, তুমিই আমার প্রথম এবং একমাত্র প্রেম।’
দোকানদার বললেন, ‘স্যার, আপনি আসলেই খুব রোমান্টিক।’
এবারে ওই ভদ্রলোক বললেন, ‘এখানে আসলে রোমান্টিকতার কিছু নেই, পুরোটাই প্রাকটিক্যাল। যদি তার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়, তাহলে ব্রেসলেটটি আমি অন্য কোথাও ব্যবহার করতে পারব।’
এক ভদ্রলোক জুয়েলারির দোকানে গিয়ে প্রেমিকাকে উপহার দেওয়ার জন্য সবচেয়ে দামি ব্রেসলেট চাইলে দোকানদার বললেন, ‘স্যার, ব্রেসলেটে কি আপনার প্রেমিকার নাম খোদাই করে নেবেন?’
ভদ্রলোক কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন, ‘না, তার দরকার নেই। তার চেয়ে বরং লিখে দেন, তুমিই আমার প্রথম এবং একমাত্র প্রেম।’
দোকানদার বললেন, ‘স্যার, আপনি আসলেই খুব রোমান্টিক।’
এবারে ওই ভদ্রলোক বললেন, ‘এখানে আসলে রোমান্টিকতার কিছু নেই, পুরোটাই প্রাকটিক্যাল। যদি তার সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয়, তাহলে ব্রেসলেটটি আমি অন্য কোথাও ব্যবহার করতে পারব।’
কৌতুক নং - ০০৬
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
১৯৯২ সাল
ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ কিন্তু আমার একজনের সাথে রিলেশন আছে।
ছেলেঃ ওকে। একটু পরেই সে সুইসাইড করলো।
২০০২ সাল
ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ কিন্তু আমার একজনের সাথে রিলেশন আছে।
ছেলেঃ ওকে, কি আর করা? আমি অন্য আরেকজন কে খুজে নিবো।
২০১২ সাল
ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ কিন্তু আমার একজনের সাথে রিলেশন আছে।
ছেলেঃ আচ্ছা সমস্যা নাই, আশা করি কিছু দিনের মধ্যেই ব্রেক আপ ও হয়ে যাবে। আমি অপেক্ষা করতেছি।
২০১২ সাল
ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ কিন্তু আমার একজনের সাথে রিলেশন আছে।
ছেলেঃ সমস্যা নাই, আমারও একজনের সাথে রিলেশন আছে। যদি আমাদের না মিলে, আগেরজনের সাথেই বিয়ে হয় তবে বিয়ের পর আমরা......OK?
১৯৯২ সাল
ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ কিন্তু আমার একজনের সাথে রিলেশন আছে।
ছেলেঃ ওকে। একটু পরেই সে সুইসাইড করলো।
২০০২ সাল
ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ কিন্তু আমার একজনের সাথে রিলেশন আছে।
ছেলেঃ ওকে, কি আর করা? আমি অন্য আরেকজন কে খুজে নিবো।
২০১২ সাল
ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ কিন্তু আমার একজনের সাথে রিলেশন আছে।
ছেলেঃ আচ্ছা সমস্যা নাই, আশা করি কিছু দিনের মধ্যেই ব্রেক আপ ও হয়ে যাবে। আমি অপেক্ষা করতেছি।
২০১২ সাল
ছেলেঃ আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েঃ কিন্তু আমার একজনের সাথে রিলেশন আছে।
ছেলেঃ সমস্যা নাই, আমারও একজনের সাথে রিলেশন আছে। যদি আমাদের না মিলে, আগেরজনের সাথেই বিয়ে হয় তবে বিয়ের পর আমরা......OK?
কৌতুক নং - ০০৫
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
প্রেমিক-প্রেমিকা হোটেলে বসে খাচ্ছে। প্রচুর খাবারের অর্ডার দেওয়া হয়েছে।
প্রেমিকঃ তা হলে তুমি আমাকে বিয়ে করবে না বলে ঠিক করেছ?
প্রেমিকাঃ (সিরিয়াস হয়ে) হ্যাঁ, আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারব না।
প্রেমিকঃ এই বেয়ারা, আমাদের দু’জনের দুটো আলাদা বিল নিয়ে এস।
প্রেমিকাঃ আরেহ জান তুমি তো দেখি ইয়ার্কী ও বুঝ না।
প্রেমিক-প্রেমিকা হোটেলে বসে খাচ্ছে। প্রচুর খাবারের অর্ডার দেওয়া হয়েছে।
প্রেমিকঃ তা হলে তুমি আমাকে বিয়ে করবে না বলে ঠিক করেছ?
প্রেমিকাঃ (সিরিয়াস হয়ে) হ্যাঁ, আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারব না।
প্রেমিকঃ এই বেয়ারা, আমাদের দু’জনের দুটো আলাদা বিল নিয়ে এস।
প্রেমিকাঃ আরেহ জান তুমি তো দেখি ইয়ার্কী ও বুঝ না।
কৌতুক নং - ০০৪
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
ছেলেঃ আই লাভ ইউ! তুমি এই দুনিয়ার সবচে সুন্দর মেয়ে।
মেয়েঃ কিন্তু তোমার পিছে তো আমার চেয়ে অনেক সুন্দর এক মেয়ে দাড়িয়ে আছে ছেলে পিছে ফিরে দেখল সেখানে কেউ ছিলনা
মেয়েঃ তুমি যদি সত্যি আমাকে ভালবাসতে তাহলে কখনো পিছনে ফিরে দেখতে না “আই হেট ইউ!”
ছেলেঃ ওকে তোমার ইচ্ছা, তাইলে এই হীরার আংটি কাকে দিব?
মেয়েঃ আচ্ছা আমি কি একটু মজাও করতে পারবনা আমার জানুর সাথে?
মেয়ে রিং এর বক্স খুলে রিংটা হাতে দিল। পরের দিন এসে বলল “আর...! এইটা তো সত্যিকারের হিরা না!”
ছেলেঃ তুমি যদি আমাকে ভালবাসতে তাহলে এইটা পরীক্ষা করে দেখতে না আসল
নাকি নকল “আই হেট ইউ”।
ছেলেঃ আই লাভ ইউ! তুমি এই দুনিয়ার সবচে সুন্দর মেয়ে।
মেয়েঃ কিন্তু তোমার পিছে তো আমার চেয়ে অনেক সুন্দর এক মেয়ে দাড়িয়ে আছে ছেলে পিছে ফিরে দেখল সেখানে কেউ ছিলনা
মেয়েঃ তুমি যদি সত্যি আমাকে ভালবাসতে তাহলে কখনো পিছনে ফিরে দেখতে না “আই হেট ইউ!”
ছেলেঃ ওকে তোমার ইচ্ছা, তাইলে এই হীরার আংটি কাকে দিব?
মেয়েঃ আচ্ছা আমি কি একটু মজাও করতে পারবনা আমার জানুর সাথে?
মেয়ে রিং এর বক্স খুলে রিংটা হাতে দিল। পরের দিন এসে বলল “আর...! এইটা তো সত্যিকারের হিরা না!”
ছেলেঃ তুমি যদি আমাকে ভালবাসতে তাহলে এইটা পরীক্ষা করে দেখতে না আসল
নাকি নকল “আই হেট ইউ”।
কৌতুক নং - ০০৩
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
গার্ল ফ্রেন্ডঃ গত রাতে আমি তোমাকে স্বপ্নে দেখেছি।
বয়ফ্রেন্ড (ভীষণ উত্তেজিত): আমি কি করছি তোমার স্বপ্নে এসে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ আমরা বাস এ করে যাচ্ছিলাম হঠাৎ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়! সবাই সাতার কেটে নিজেদের যান বাঁচাতে বাস্ত ছিল কিন্তু তুমি তখন ও কাকে যেন খুজতেছিলা!
বয়ফ্রেন্ড (খুশি হয়ে): আমি তোমাকে খুজছিলাম তাইনা?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ আরে না!! তুমি চিল্লাইতাছিলা, “আরে কন্ডাক্টর শালা কই গেল, দুইটাকা পাইতাম।”
গার্ল ফ্রেন্ডঃ গত রাতে আমি তোমাকে স্বপ্নে দেখেছি।
বয়ফ্রেন্ড (ভীষণ উত্তেজিত): আমি কি করছি তোমার স্বপ্নে এসে?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ আমরা বাস এ করে যাচ্ছিলাম হঠাৎ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়! সবাই সাতার কেটে নিজেদের যান বাঁচাতে বাস্ত ছিল কিন্তু তুমি তখন ও কাকে যেন খুজতেছিলা!
বয়ফ্রেন্ড (খুশি হয়ে): আমি তোমাকে খুজছিলাম তাইনা?
গার্ল ফ্রেন্ডঃ আরে না!! তুমি চিল্লাইতাছিলা, “আরে কন্ডাক্টর শালা কই গেল, দুইটাকা পাইতাম।”
কৌতুক নং - ০০২
ধরনঃ প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক
মানিক-জোড় জুটি
এক কৃপণ ছেলের সাথে এক কৃপণ মেয়ের প্রেম হয়ে গেল-
মেয়েঃ যখন বাবা ঘুমিয়ে যাবে আমি রাস্তাতে একটা টাকার কয়েন ফেলব তুমি শব্দ শুনে ভিতরে চলে আসবা কিন্তু ছেলে কয়েন ফেলার এক ঘণ্টা পর আসলো
মেয়েঃ এত দেরি করলা কেন?
ছেলেঃ আরে আমি কয়েন টা খুজতাছিলাম
মেয়েঃ আরে পাগল আমি তো ওইটা সুতা বাইন্ধা ফেলছিলাম পড়ে আবার উঠাইয়া নিছি।
মানিক-জোড় জুটি
এক কৃপণ ছেলের সাথে এক কৃপণ মেয়ের প্রেম হয়ে গেল-
মেয়েঃ যখন বাবা ঘুমিয়ে যাবে আমি রাস্তাতে একটা টাকার কয়েন ফেলব তুমি শব্দ শুনে ভিতরে চলে আসবা কিন্তু ছেলে কয়েন ফেলার এক ঘণ্টা পর আসলো
মেয়েঃ এত দেরি করলা কেন?
ছেলেঃ আরে আমি কয়েন টা খুজতাছিলাম
মেয়েঃ আরে পাগল আমি তো ওইটা সুতা বাইন্ধা ফেলছিলাম পড়ে আবার উঠাইয়া নিছি।
প্রেমিক-প্রেমিকার কৌতুক -
কৌতুক নং - ০০১ | কৌতুক নং - ০১১ | কৌতুক নং - ০২১ |
| .............................. | ............................... | .............................. |
|---|
Thursday, April 7, 2011
কৌতুক নং - ০১৯
ধরনঃ স্বামী-স্ত্রীর কৌতুক
এক ব্যক্তি ইন্টারনেটে তার ডাক্তারের সাথে চ্যাট করছে।
ব্যক্তিঃ ডাক্তার সাহেব, খুব ঝামেলায় পড়েছি।
ডাক্তারঃ কি সমস্যা?
ব্যক্তিঃ আমার বউয়ের কানে সমস্যা হয়েছে। কথা শুনতে পাচ্ছেনা না।
ডাক্তারঃ আরে এটা কোনো সমস্যা না। ওষুধের নাম বলে দিচ্ছি। এটা খেলে ঠিক হয়ে যাবে। তবে আগে বুঝতে হবে কতটুকু সমস্যা হয়েছে। আচ্ছা পরীক্ষা করা যাক।
ব্যক্তিঃ কিভাবে?
ডাক্তারঃ এক কাজ
করুন। ১০ মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে। যদি উত্তর না পান তবে ৮ মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে। এভাবে উত্তর না পেলে যথাক্রমে ৬, ৪ ও ২ মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে। এবারও না পেলে একেবারে কানের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন এবং কখন উত্তর পান তা আমাকে জানান।
এরপর ঐ ব্যক্তি তার বউয়ের ১০ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
৮ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
৬ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
৪ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
২ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
এইবার একেবারে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"
এইবার বউয়ের রাগান্বিত গলা শুনতে পেল, "এই নিয়ে ৬ বার বললাম আলু আর পটল রান্না করি।
এক ব্যক্তি ইন্টারনেটে তার ডাক্তারের সাথে চ্যাট করছে।
ব্যক্তিঃ ডাক্তার সাহেব, খুব ঝামেলায় পড়েছি।
ডাক্তারঃ কি সমস্যা?
ব্যক্তিঃ আমার বউয়ের কানে সমস্যা হয়েছে। কথা শুনতে পাচ্ছেনা না।
ডাক্তারঃ আরে এটা কোনো সমস্যা না। ওষুধের নাম বলে দিচ্ছি। এটা খেলে ঠিক হয়ে যাবে। তবে আগে বুঝতে হবে কতটুকু সমস্যা হয়েছে। আচ্ছা পরীক্ষা করা যাক।
ব্যক্তিঃ কিভাবে?
ডাক্তারঃ এক কাজ
করুন। ১০ মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে। যদি উত্তর না পান তবে ৮ মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে। এভাবে উত্তর না পেলে যথাক্রমে ৬, ৪ ও ২ মিটার দূর থেকে তাকে জিজ্ঞেস করুন সে কি করে। এবারও না পেলে একেবারে কানের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন এবং কখন উত্তর পান তা আমাকে জানান।
এরপর ঐ ব্যক্তি তার বউয়ের ১০ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
৮ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
৬ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
৪ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
২ মিটার দূরে থেকে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"-কোনো উত্তর নাই।
এইবার একেবারে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, "কি কর?"
এইবার বউয়ের রাগান্বিত গলা শুনতে পেল, "এই নিয়ে ৬ বার বললাম আলু আর পটল রান্না করি।
কৌতুক নং - ০১৭
ধরনঃ স্বামী-স্ত্রীর কৌতুক
মার্কেটে কেনাকাটার সময় এক ভদ্রমহিলাকে বলছেন এক লোক, ‘এই যে শুনুন।’
ভদ্রমহিলা: বলুন?
লোক: এখানে এসে আমি আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি। আমি কি আপনার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতে পারি?
ভদ্রমহিলা: স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছেন তো আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন কেন?
লোক: না মানে, আমি লক্ষ করেছি, যখনই আমি কোনো অপরিচিত নারীর সঙ্গে কথা বলতে নিই, তখনই কোথা থেকে যেন আমার স্ত্রী এসে হাজির হয়!
মার্কেটে কেনাকাটার সময় এক ভদ্রমহিলাকে বলছেন এক লোক, ‘এই যে শুনুন।’
ভদ্রমহিলা: বলুন?
লোক: এখানে এসে আমি আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি। আমি কি আপনার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতে পারি?
ভদ্রমহিলা: স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছেন তো আমার সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন কেন?
লোক: না মানে, আমি লক্ষ করেছি, যখনই আমি কোনো অপরিচিত নারীর সঙ্গে কথা বলতে নিই, তখনই কোথা থেকে যেন আমার স্ত্রী এসে হাজির হয়!
কৌতুক নং - ০১৬
ধরনঃ স্বামী-স্ত্রীর কৌতুক
স্ত্রী: আমার সাথে ১০ বছর সময় কাটানো তোমার কাছে কি মনে হয় Jaan?
স্বামী: আরে সেতো মাত্র ১ সেকেন্ড মনে হয় Honey. চোখের পলকে কেটে গেল।
স্ত্রী: (খুশি হয়ে) আমার জন্য ১০,০০০ টাকা তোমার জন্য কি?
স্বামী: আরে সেতো ১ টাকার মত। কোন ব্যাপারই না।
স্ত্রী: (ততধিক খুশি হয়ে) তা জানু আমাকে তোমার ১ টাকা দিতে পারবে এখনই?
স্বামী: (গম্ভির হয়ে) দাড়াও ১ সেকেন্ড পরে দেই।
স্ত্রী: আমার সাথে ১০ বছর সময় কাটানো তোমার কাছে কি মনে হয় Jaan?
স্বামী: আরে সেতো মাত্র ১ সেকেন্ড মনে হয় Honey. চোখের পলকে কেটে গেল।
স্ত্রী: (খুশি হয়ে) আমার জন্য ১০,০০০ টাকা তোমার জন্য কি?
স্বামী: আরে সেতো ১ টাকার মত। কোন ব্যাপারই না।
স্ত্রী: (ততধিক খুশি হয়ে) তা জানু আমাকে তোমার ১ টাকা দিতে পারবে এখনই?
স্বামী: (গম্ভির হয়ে) দাড়াও ১ সেকেন্ড পরে দেই।
কৌতুক নং - ০১৫
ধরনঃ স্বামী-স্ত্রীর কৌতুক
স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।
স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।
কৌতুক নং - ০১৪
ধরনঃ স্বামী-স্ত্রীর কৌতুক
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীর গালে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিলেন।
স্ত্রী: কী! তুমি আমার গায়ে হাত তুললে?
স্বামী বেচারা ভেবে দেখলেন, আসলে কাজটা অন্যায় হয়ে গেছে। তাই একটু নরম সুরে তিনি বললেন, আরে না না, আমি তোমাকে ভালোবেসে চড়টা মেরেছি।
স্ত্রী তখন স্বামীর দুই গালে কষে দুইটা চড় লাগিয়ে দিলেন।
স্বামী : (থ হয়ে) তুমিও আমাকে...!
স্ত্রী : তুমি কি ভেবেছ আমি তোমাকে কম ভালোবাসি?
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্বামী তার স্ত্রীর গালে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিলেন।
স্ত্রী: কী! তুমি আমার গায়ে হাত তুললে?
স্বামী বেচারা ভেবে দেখলেন, আসলে কাজটা অন্যায় হয়ে গেছে। তাই একটু নরম সুরে তিনি বললেন, আরে না না, আমি তোমাকে ভালোবেসে চড়টা মেরেছি।
স্ত্রী তখন স্বামীর দুই গালে কষে দুইটা চড় লাগিয়ে দিলেন।
স্বামী : (থ হয়ে) তুমিও আমাকে...!
স্ত্রী : তুমি কি ভেবেছ আমি তোমাকে কম ভালোবাসি?
কৌতুক নং - ০০৯
ধরনঃ স্বামী-স্ত্রীর কৌতুক
এক ভদ্রলোক তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ফুটবল ম্যাচ দেখতে গেছেন। ভদ্রলোকের স্ত্রী আগে কখনো ফুটবল খেলা দেখেননি।
স্ত্রী: সবাই মিলে বলটাকে লাথি মারছে কেন?
ভদ্রলোক: সবাই মিলে চেষ্টা করছে বলটিকে গোল করানোর জন্য।
স্ত্রী: কেন? বলটি তো এমনিতেই একেবারে গোল হয়ে আছে, আর কত গোল বানাবে।
এক ভদ্রলোক তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ফুটবল ম্যাচ দেখতে গেছেন। ভদ্রলোকের স্ত্রী আগে কখনো ফুটবল খেলা দেখেননি।
স্ত্রী: সবাই মিলে বলটাকে লাথি মারছে কেন?
ভদ্রলোক: সবাই মিলে চেষ্টা করছে বলটিকে গোল করানোর জন্য।
স্ত্রী: কেন? বলটি তো এমনিতেই একেবারে গোল হয়ে আছে, আর কত গোল বানাবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)